- Editor
- 15:40 12/Jan/2026
- 2 মিনিট সময় লাগবে পড়তে
বতর্মান সময়ে জল সংরক্ষণ করা খুবই জরুরি। এই ভাবনাকে সামনে রেখে উদয়পুরের মহারাণীতে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় মহারাণী জল উৎসব। গতকাল ৩ দিনব্যাপী মহারাণী জল উৎসবের উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় একথা বলেন। তিনি বলেন, জল সংরক্ষণ ও জল অপচয় রোধে সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে। শুধু উৎসব পালন করলেই চলবে না, বাস্তব জীবনে জল ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।
জল উৎসবের উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই উৎসবে চিরাচরিত গ্রামীণ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বনদুয়ারে ৫১ শক্তি পীঠের রেপ্লিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পগুলি রূপায়িত হলে মহারাণী এলাকার সামগ্রিক চিত্র খুব সহজেই পাল্টে যাবে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্য সরকার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন ক্ষেত্রের উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মহারাণী ব্যারেজ থেকে ছবিমুড়া পর্যন্ত বোট পরিষেবা চালু করা এবং রোপওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, উদয়পুর সহ সারা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে। নেশার কবল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে অর্থমন্ত্রী সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিধায়ক রামপদ জামাতিয়া বলেন, জল না থাকলে জীবন অসম্ভব। তাই জলকে রক্ষা করাই আমাদের কর্তব্য। তিনি জল অপচয় রোধ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, জল উৎসব একটি মিলন মেলা, যা সামাজিক ঐক্য ও সংহতিকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি উৎসবকে সফল করে তোলার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পীরাণী দাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গোমতী জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জিলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সুজন কুমার সেন, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ঝুলন দাস, সমাজসেবী বিশ্বজিৎ মারাক, রফিক মিয়া, অমল সরকার প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ-অধিকর্তা অজয় দে। উল্লেখ্য, এই মেলায় বিভিন্ন দপ্তর থেকে স্টল খোলা হয়। সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এই উৎসব উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও পরিবেশন করা হয়।
